বিশেষ প্রতিবেদক
রাজনীতি যাদের রক্তে, জনসেবা যাদের পারিবারিক ঐতিহ্য, দক্ষিণখানের ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আলী আকবর আলী তাদেরই একজন। তিনি কেবল ব্যক্তিগত পরিচয়েই সীমাবদ্ধ নন; বরং তিনি একটি ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক পরিবারের উত্তরসূরি, যিনি দক্ষিণখানের মানুষের হৃদয়ে গভীরভাবে জায়গা করে নিয়েছেন।
আলী আকবর আলীর রাজনীতির হাতেখড়ি তার পরিবার থেকেই। তার চাচা, দক্ষিণখানের কিংবদন্তি নেতা খলিল মোল্লা, ছিলেন তৎকালীন দক্ষিণখান ইউনিয়ন পরিষদের অত্যন্ত জনপ্রিয় চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা। খলিল মোল্লার আপসহীন নেতৃত্ব এবং সাধারণ মানুষের প্রতি তার অগাধ ভালোবাসা দেখেই আলী বড় হয়েছেন। চাচার উত্তরসূরি হিসেবে, তিনি সেই ‘মোল্লা বংশের’ সম্মান এবং জনসেবার ধারা আজও বহন করছেন।
আলী আকবর আলীর জীবন কাহিনি কেবল ক্ষমতার গল্প নয়, বরং এক লড়াইয়ের গল্প। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর আদর্শে অনুপ্রাণিত হন। বিশেষ করে, আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ শাসনামলে, যখন দক্ষিণখানে বিএনপির রাজনীতি করা ছিল এক কঠিন চ্যালেঞ্জ, আলী বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছেন। রাজপথের প্রতিটি আন্দোলনে তার সাহসী উপস্থিতি ছিল অগ্রভাগে, যা তাকে বিজয়ের এবং মানুষের আস্থার প্রতীক করে তোলে।
কাউন্সিলর হিসেবে তার সময়কাল ছিল দক্ষিণখানের উন্নয়নের স্বর্ণযুগ। রাস্তা, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, সামাজিক নিরাপত্তা—সব ক্ষেত্রেই তার অবদান ছিল বিশাল। দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে তিনি ছিলেন ‘আস্থা’, সাধারণ মানুষের কাছে ‘ভরসা’। ব্যক্তিগত জীবনে, আলী খুব বিনয়ী, সদালাপী এবং সবসময় দক্ষিণখানকে একটি আধুনিক, মাদকমুক্ত এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেছেন।
বর্তমানে, দক্ষিণখানের ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটাররা মনে করেন, খলিল মোল্লার যোগ্য ভাতিজা আলী আকবর আলী-ই পারেন এই এলাকার অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করতে। তার ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মিশ্রণে, দক্ষিণখান আবারও উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে।
আলী আকবর আলী বলেন, “আমি পদের জন্য রাজনীতি করি না, আমি করি মানুষের ভালোবাসার জন্য। আমার চাচা খলিল মোল্লা শিখিয়েছেন মানুষের পাশে থাকতে, আমি আমৃত্যু সেই পথেই চলবো।”
দক্ষিণখানের গর্ব, বংশের সেবা, রক্তে নেতৃত্ব—আলী আকবর আলীর জীবন ও রাজনীতির গল্প নিয়ে আজকের বিশেষ প্রতিবেদন।