২৩ নভেম্বর বিকেলে দুবাইয়ের দূতাবাস অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ সেমিনারে, আমিরাতে অবস্থানরত বাংলাদেশি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য পেশাজীবীদের অভাব এবং প্রবাসীদের স্বাস্থ্য সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়। এই সমাবেশটি শুধু সমস্যার চিত্র তুলে ধরেনি, বরং সকলকে একত্রিত করে আশার আলো জ্বালিয়েছে।

– ডাক্তারের অপ্রতুলতা – আমিরাতে বাংলাদেশি ডাক্তারের সংখ্যা অত্যন্ত কম, যার কারণে অনেক প্রবাসী চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
– ভিসা ও ভাষা জটিলতা – ভিসা প্রক্রিয়া, ভাষাগত অসক্ষমতা এবং উচ্চ চিকিৎসা ব্যয় প্রবাসীদের জন্য বড় বাধা।
– স্বদেশী ঔষধের অভাব – বাংলাদেশি ঔষধের অনুপলব্ধতা ও বিদেশি ঔষধের দাম বৃদ্ধি সমস্যা বাড়িয়েছে।
– স্বাস্থ্য বীমার অসমতা – কম দামের বীমা প্রায়ই পর্যাপ্ত কভারেজ দেয় না, ফলে মধ্য-নিম্ন আয়ের প্রবাসীরা ঝুঁকিতে থাকেন।
– লজিস্টিক ও প্রশাসনিক সমর্থনের অভাব – যথাযথ সহায়তা ও যোগ্য কর্মীর অভাব প্রকট।

– “প্রবাসী স্বাস্থ্য সেবা” – এশিয়ান হেলথ কেয়ার গ্রুপের উদ্যোগে চালু হতে যাওয়া মাল্টি-স্পেশালাইজড টেলিমেডিসিন অ্যাপ, যা সাশ্রয়ী মূল্যে সকল প্রবাসীর কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেবে।
– রাষ্ট্রদূতের প্রতিশ্রুতি – রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে নিয়মিত মেডিকেল ক্যাম্প আয়োজন এবং কর্তৃপক্ষের সাথে দ্রুত যোগাযোগের মাধ্যমে সমস্যার সমাধানে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এই সেমিনার আমাদের শিখিয়েছে যে, সমস্যা যত বড়ই হোক না কেন, একত্রিত প্রচেষ্টা এবং সঠিক উদ্যোগ দিয়ে তা অতিক্রম করা সম্ভব। আপনাদের সকলের সমর্থন ও অংশগ্রহণই পারে আমিরাতে বসবাসরত প্রতিটি বাংলাদেশির স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে। আসুন, আমরা সবাই মিলে এই উদ্যোগকে শক্তিশালী করি, স্বাস্থ্য সেবায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করি।
আপনার কি এই প্রতিবেদনে কোনও পরিবর্তন বা আরও কিছু যোগ করার প্রয়োজন আছে? জানালে আমি আরও নির্দিষ্টভাবে কাজ করতে পারি।